101

গ্রাফিক্স কার্ড কে অনেকে আমরা , ভিডিও কার্ড, ভিডিও অ্যাডাপ্টার, গ্রাফিক্স এক্সেলেরেটর কার্ড, ডিসপ্লে অ্যাডাপ্টার ইত্যাদি নামে চিনি। এর কাজ , আমাদের কম্পিউটারের জন্য আউট পুট ইমেজ তৈরী করা। আর বর্তমানে বাজারে যে সমস্ত গ্রাফিক্স কার্ড আছে, তাতে আরো বার্তি হিসেবে আছে, 3D সেন্স, ভিডিও ক্যাপচার, TV টিউনার, MPEG-2/MPEG-4 ডিকোডিং, TV Out সহ অনেক অনেক ফিচারস।একটি গ্রাফিক্স কার্ড কে দেখলেই এর প্রধান কম্পোনেন্ট গুলো দেখা যায়, গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা GPU ভিডিও বায়োস। ভিডিও মেমোরি। র‍্যাম ডিএসি বা রেন্ডম এক্সেস মেমোরি ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার।গ্রাফিক্স কার্ড কেনার পূর্বে যা যা দেখে নেবেনঃ পিসিআই ভার্সন : আপনার মাদারবোর্ড এর স্লট কোনটি সেটি দেখে কিনুন। ট্রানজিস্টর সংখ্যা : কার্ডে যত বেশি ট্রানজিস্টর, নয়েজ লেভেল তত কম। ফলে ভিডিও ভালোভাবে ফিল্টার হবে। বিষটির প্রতি লক্ষ রাখুন। বাস স্পীড : বাস হল- প্রসেসর একবারে কতটুকু ডাটা নিয়ে কাজ করবে তার পরিমান। বাস বেশি হলে খুব দ্রুত আউটপুট পাবেন। কিন্তু বাস খুব বেশি হলে আবার পাওয়ার খরচের পরিমানটাও বেড়ে যাবে। উপরন্তু আপনার মনিটর ছোট হলে বাস অব্যাবহৃত থেকে যাবে। ক্লক স্পীড : এটা যত ভালো এবং বেশি হবে তত ভাল মানের performance পাবেন। মেমরি : আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী কিনুন। মেমরি টাইপ : DDR, DDR2, GDDR3… দেখে নিন। যত ভালো হবে, তত ভালো পারফরমেন্স পাবেন। অবশ্য GDDR5 এর দাম তুলনামূলক বেশি। আপনার মাদারবোর্ড এর RAM এর সাথে এটির কোন সম্পর্ক নেই। সফটওয়্যার সাপোর্ট: আপনি যে অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করেন, সেই সিস্টেমে কার্ড এর ড্রাইভার পাবেন কিনা তা দেখে নিন। ডিরেক্ট এক্স : ডিরেক্ট এক্স হল মাইক্রোসফট এর অনন্য একটি সংযোজন। নতুন নতুন হার্ডওয়্যার, ভিডিও এক্সিলারেশান, সর্বপরি নতুন গেমস চালানোর জন্য এটি অপরিহার্য। তাই গ্রাফিক্স কার্ড নতুন ভার্সন এর ডিরেক্ট এক্স সাপোর্ট করে কিনা দেখে নিন। ম্যাক্স আউটপুট : বর্তমানে প্রায় সব কার্ডের আউটপুট ১৬০০ X ১২০০ থেকে ২৫৬০ X ১৬০০ এর মধ্যে। তাই এনিয়ে আপাতত চিন্তা না’করলেও চলবে। পাওয়ার : কার্ডটি কত ওয়াট সাপ্লাইয়ের সেটি দেখুন। প্রয়োজনীয় পাওয়ার দিতে না পারলে কিন্তু কাজ করতে সমস্যা হতে পারে। সাধারনত ৪০০ থেকে ৮০০ ওয়াট দরকার হয়।

Then-

গ্রাফিক্স কার্ড কে অনেকে আমরা , ভিডিও কার্ড, ভিডিও অ্যাডাপ্টার, গ্রাফিক্স এক্সেলেরেটর কার্ড, ডিসপ্লে অ্যাডাপ্টার ইত্যাদি নামে চিনি। এর কাজ , আমাদের কম্পিউটারের জন্য আউট পুট ইমেজ তৈরী করা। আর বর্তমানে বাজারে যে সমস্ত গ্রাফিক্স কার্ড আছে, তাতে আরো বার্তি হিসেবে আছে, 3D সেন্স, ভিডিও ক্যাপচার, TV টিউনার, MPEG-2/MPEG-4 ডিকোডিং, TV Out সহ অনেক অনেক ফিচারস।১৯৮১ সালে, আইবিএম প্রথম গ্রাফিক্স কার্ড বাজারে নিয়ে আসে, যার নাম ছিল, Monochrome Display Adapter (MDA)। এই কার্ড টি কালো পর্দায় শুধু মাত্র সাদা অথবা সবুজ রঙ এর লিখা দেখাতে পারত। এখন কার দিনের একটি গ্রাফিক্স কার্ড এর মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে Video Graphics Array(VGA) যা ২৫৬ টি রঙ দেখাতে পারে।আর যদি আপনি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্য গ্রাফিক্স কার্ড এক কথা চিন্তা করেন, তবে তার স্ট্যান্ডার্ড হতে হবে, Quantum Extended Graphics Array (QXGA)যা কয়েক মিলিওন রঙ দেখানোর পাশাপাশি যার রেসুলেশন ২০৪০x১৫৩৬ পিক্সেল হতে হবে।কটি গ্রাফিক্স কার্ড কে দেখলেই এর প্রধান কম্পোনেন্ট গুলো দেখা যায়, গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা GPU ভিডিও বায়োস। ভিডিও মেমোরি। র‍্যাম ডিএসি বা রেন্ডম এক্সেস মেমোরি ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার।নামঃ ASUS EN210SILENT/DI/1GD3/V2-3400TK, Gigabyte gv-n220oc-1GB–4800TK,Sapphire HD 5450 1GB 4100TK, XFX 5750 2GB DDR3 6550TK

An educational web

Design a site like this with WordPress.com
Get started